আপলোড করার কিছু নেই, কারণ আপলোড করার জায়গাই নেই
কোনো অ্যাকাউন্ট নেই, সাইন-ইন নেই, সিঙ্ক নেই, লাইনে দাঁড়ানো নেই, “processing” স্পিনারও নেই। প্রতিটি মডেল চলে আপনার হাতের ফোনের Neural Engine-এ, তাই প্লেনে বসেও অ্যাপটা Wi-Fi-এর মতোই কাজ করে - ক্লাউডনির্ভর কোনো এডিটর এই সুবিধা নকল করতে পারে না।